Number System Conversion লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Number System Conversion লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২০

বাইনারি ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার মধ্যে পারস্পরিক রূপান্তর

বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেলে রুপান্তরঃ

বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেলে রুপান্তরের ক্ষেত্রে বাইনারির ৪ বিটের গ্রুপ হেক্সাডেসিমেলের একটি অংক হবে। এ ক্ষেত্রে নিয়ম হল -

পূর্ণাংশের ক্ষেত্রেঃ

  1. বাইনারি সংখ্যার ডান পাশ থেকে প্রতি ৪ বিটের গ্রুপ নিয়ে এর দশমিক মান বের করতে হবে।

  2. যদি ৪ বিটের গ্রুপ করতে ১ , ২ বা ৩ বিট কম পরে সেক্ষেত্রে সর্ব বামে ১, ২ বা ৩ বিট ০ দ্বারা পূর্ণ করে নিতে হবে।

  3. যদি ৪ বিটের গ্রুপের দশমিক মান ৯ এর চেয়ে বড় হয়ে যায় তাহলে প্রতি মানের সমকক্ষ অক্ষর দিয়ে লিখতে হবে এভাবে- ১০=A, ১১=B, ১২=C, ১৩=D, ১৪=E, ১৫=F

ভগ্নাংশের ক্ষেত্রেঃ

  1. বাইনারি সংখ্যার বাম পাশ থেকে অর্থাৎ '.' এর পর থেকে প্রতি তিন বিটের গ্রুপ নিয়ে এর দশমিক মান বের করতে হবে।

  2. যদি তিন বিটের গ্রুপ করতে ১ বা দুই বিট কম পরে সেক্ষেত্রে সর্ব ডানে ১ বা ২ বিট ০ দ্বারা পূর্ণ করে নিতে হবে।

  3. যদি ৪ বিটের গ্রুপের দশমিক মান ৯ এর চেয়ে বড় হয়ে যায় তাহলে প্রতি মানের সমকক্ষ অক্ষর দিয়ে লিখতে হবে এভাবে- ১০=A, ১১=B, ১২=C, ১৩=D, ১৪=E, ১৫=F

অতএব, (১১১১০১১১১০০.১১১১০১১১০১) = (৭BC. F৭৪)১৬

বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেলে রুপান্তরঃ

হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি রূপান্তর করতে উপরের উদাহরণ কে উল্টো ভাবে ধরলেই বুঝতে পারবে। অর্থাৎ হেক্সাডেসিমেল এর প্রতিটি অংককে ৪ বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করতে হবে। আর অক্ষর থাকলে নম্বর দ্বারা পরিবর্তন করে নিতে হবে।

বাইনারি ও অক্টাল সংখ্যার মধ্যে পারস্পরিক রূপান্তর

বাইনারি থেকে অক্টালে রুপান্তরঃ

বাইনারি থেকে অক্টালে রুপান্তরের ক্ষেত্রে বাইনারির তিন বিটের গ্রুপ অক্টালের একটি অংক হবে। এ ক্ষেত্রে নিয়ম হল -

পূর্ণাংশের ক্ষেত্রেঃ

  1. বাইনারি সংখ্যার ডান পাশ থেকে প্রতি তিন বিটের গ্রুপ নিয়ে এর দশমিক মান বের করতে হবে।
  2. যদি তিন বিটের গ্রুপ করতে ১ বা দুই বিট কম পরে সেক্ষেত্রে সর্ব বামে ১ বা ২ বিট ০ দ্বারা পূর্ণ করে নিতে হবে।

ভগ্নাংশের ক্ষেত্রেঃ

  1. বাইনারি সংখ্যার বাম পাশ থেকে অর্থাৎ '.' এর পর থেকে প্রতি তিন বিটের গ্রুপ নিয়ে এর দশমিক মান বের করতে হবে।
  2. যদি তিন বিটের গ্রুপ করতে ১ বা দুই বিট কম পরে সেক্ষেত্রে সর্ব ডানে ১ বা ২ বিট ০ দ্বারা পূর্ণ করে নিতে হবে।
অতএব, (১১১১০১১.১১১১০১১) = (১৭৩.৭৫৪)

বাইনারি থেকে অক্টালে রুপান্তরঃ

অক্টাল থেকে বাইনারি রূপান্তর করতে উপরের উদাহরণ কে উল্টো ভাবে ধরলেই বুঝতে পারবে। অর্থাৎ অক্টাল এর প্রতিটি অংককে ৩ বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করতে হবে।

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিকে রূপান্তর বা হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর।

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিকে রূপান্তর করতে হলে সহজ নিয়মটি দেখে নিতে হবে এখানে

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিকে রূপান্তর

(৯D৩.B৮)১৬ = (২৫১৫.৭১৮৭৫)১০

সমাধানঃ

খুব শীঘ্রই আসছে .......

অক্টাল থেকে দশমিকে রূপান্তর বা অক্টাল সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর।

অক্টাল থেকে দশমিকে রূপান্তর করতে হলে সহজ নিয়মটি আগে দেখে নিতে হবেএখানে এখানে

অক্টাল থেকে দশমিকে রূপান্তর

(৪৭২৩.৫৬০) = (?)১০

সমাধানঃ

খুব শীঘ্রই আসছে .......

বাইনারি থেকে দশমিকে রূপান্তর বা বাইনারি সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর।

বাইনারি থেকে দশমিকে রূপান্তর করতে প্রথমে সহজ নিয়মটি দেখে নিতে হবে এখানে

বাইনারি থেকে দশমিকে রূপান্তর

(১০০১১১০১০০১১.১০১১১) = (?)১০

সমাধানঃ

খুব শীঘ্রই আসছে .......

যে কোন সংখ্যা পদ্ধতি থেকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তরের সহজ নিয়ম

যে কোন সংখ্যা পদ্ধতি থেকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তরের সহজ নিয়ম-

যে কোন সংখ্যা পদ্ধতি থেকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে রুপান্তরের সময় একটা বিষয় অবশই জানতে হবে আর তা হল, উভয় সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি বা বেজ।

তবে দশমিকে রুপান্তরের জন্য দশমিক পদ্ধতির বেজ প্রয়োজন নেই। যে সংখ্যা পদ্ধতি থেকে দশমিকে পরিবর্তন হবে সেই পদ্ধতির বেজ জানতেই হবে। না হলে রুপান্তর সম্ভব নয়। যেমন – বাইনারি থেকে দশমিকে পরিবর্তন করতে হলে বাইনারির বেজ জানতে হবে।

এর পর জানতে হবে কীভাবে স্থানীয় মান নির্ণয় করতে হয়।

আর স্থানীয় মান নির্ণয় করতে হলে কিন্তু অবশ্যই বেজ জানতে হবে। অর্থাৎ যে সংখ্যা পদ্ধতির স্থানীয় মান বের করতে হবে তার বেজ জানতে হবে।

স্থানীয় মান বের করার নিয়ম নিম্নরুপঃ

ধরি একটা সংখ্যা ১২০ এবং এটা একটি দশমিক পূর্ণ সংখ্যা। এই সংখ্যার প্রতিটি অংকের স্থানীয় মান বের করতে হলে। দুইটি বিষয় জানতে হবে।

  1. সংখ্যাটির বেজ কত? উপররের সংখ্যার বেজ ১০ আমরা জানি।

  2. সংখ্যাটিতে কয়টি অংক বা ডিজিট আছে। উপররের সংখ্যায় ৩ টি অংক বা ডিজিট আছে আমরা জানি।

উপরের সংখ্যার তিনটি অংকের প্রত্যেকের স্থানীয় মান কিন্তু এক নয়। যদি সংখ্যাটি পূর্ণ সংখ্যা হয় তবে সবচেয়ে ডানের অংকের স্থানীয় মান সবচেয়ে কম এবং বামের দিকে এর মান বাড়তে থাকে। একে যদি ঘাতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তবে এর ঘাত হবে ০ এবং যত বামে আসবে ঘাতের মান এক করে বারতে থাকবে। অর্থাৎ ঘাত n-১ পর্যন্ত বাড়বে।

এখানে n হল অংক বা ডিজিট সংখ্যা। যে কোন সংখ্যা পদ্ধতির কোন সংখ্যার কোন অংকের স্থানীয় মান হল (বেজ) n-1

পূর্ণাংশের ক্ষেত্রেঃ –

এখানে, (১২০)১০ হল পূর্ণসংখ্যা তাহলে স্থানীয় মান অনুসারে লিখলে নিম্নরূপ হবে -

১x১০ + ২x১০ + ০x১০

প্রমাণ করে দেখি-

১x১০ + ২x১০ + ০x১০

= ১x১০০ + ২x১০ +০x১ [ যে কোন অংক বা সংখ্যার ঘাত যদি ০ হয় তাহলে তার মান ১ ]

= ১০০ + ২০ + ০

= ১২০

উদাহরণঃ

বাইনারি থেকে দশমিক (১০১)২ = (?)১০ [ নিয়মটি অক্টাল ও হেক্সডেসিমেল এর জন্যও প্রযোজ্য ]

১x২ + ০x২ + ১x২

=৪ + ০ + ১

= ৫

(১০১) = (৫)১০

এই নিয়মে যে কোন সংখ্যা পদ্ধতি থেকে দশমিকে রুপান্তর করা যায়।

ভগ্নাংশের ক্ষেত্রেঃ -

যদি সংখ্যাটি ভগ্নাংশ হয় সেক্ষেত্রে ঘাতের মান ঋণাত্মক হবে। সর্ব বামের অংকের বেজের ঘাত হবে -১ এবং ডানদিকে প্রতি ডিজিটের জন্য ঋণাত্মক মান -১ করে বাড়বে। অর্থাৎ ঘাত -n পর্যন্ত বাড়বে।

এখানে n হল অংক বা ডিজিট সংখ্যা। যে কোন সংখ্যা পদ্ধতির কোন ভগ্নাংশ সংখ্যার কোন অংকের স্থানীয় মান হল (বেজ) -n

এবার (.৭৫)১০ কে স্থানীয় মান অনুসারে লিখি।

এখানে (.৭৫)১০ হল ভগ্নাংশ তাহলে স্থানীয় মান অনুশারে লিখলে নিম্নরূপ হবে -

৭x১০-১ + ৫x১০-২

প্রমাণ করে দেখি-

৭x১০-১ + ৫x১০-২

= ৭x১/১০ + ৫x১/১০০

= ৭/১০ + ৫/১০০

= (৭০ + ৫)/১০০

=৭৫/১০০

=.৭৫

উদাহরণঃ

বাইনারি থেকে দশমিক (.১০১) = (?)১০ [ নিয়মটি অক্টাল ও হেক্সডেসিমেল এর জন্যও প্রযোজ্য ]

=১x২-১ + ০x২-২ + ১x২-৩

= ১x(১/২) + ০+ ১x(১/৮)

= .৫ + ০ + .১২৫

=.৬২৫

(.১০১) = (.৬২৫ )১০

নিয়ম শেখা হয়ে গেলো এবার বাইনারি, অক্টাল এবং হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিকে পরিবর্তন করব।

বাইনারি থেকে দশমিকে রূপান্তর।

অক্টাল থেকে দশমিকে রূপান্তর।

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিকে রূপান্তর

বুধবার, ১২ জুলাই, ২০১৭

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর সহজ পদ্ধতি

বাইনারি থেকে দশমিক সংখায় রূপান্তর:

বাইনারি থেকে দশমিকে রূপান্তরের ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি ১ এর স্থানীয় মান যোগ করে সমকক্ষ দশমিক 
মান নির্ণয় করা হয়। 

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি -------------------------------> দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
বেজ ২                                                                    বেজ ১০ 

পূর্ণাংশের ক্ষেত্রে- 

১০১০১ =১×২+০×২+১×২+০×২+১×২= ১৬+৪+১=২১১০ 
এখানে বাইনারি নাম্বার এর মোট অঙ্ক ৫ টি। তাই বেজ এর ঘাত হবে ৫-১=৪ থেকে ০ পর্যন্ত।যত ডানে যাবে ঘাত ১ করে কমতে থাকবে। আর শুন্য ছাড়া যে কোন অঙ্কের ঘাত শুন্য হলে তার মান ১ হয়।


ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে- 

০.১০১=১×২-১+০×২-২+১×২-৩  
         =১/২+০+১/৮
         =.৫ + .১২৫ 
         =.৬২৫১০ 

এখানে বাইনারি সংখ্যার মোট অঙ্ক ৩ টি। তাই বেজ এর ঘাত হবে -১ থেকে -৩ পর্যন্ত।যত ডানে যাবে ঘাত -১ করে বাড়তে থাকবে।
        

মঙ্গলবার, ১১ জুলাই, ২০১৭

দশমিক থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর

দশমিক থেকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর

পূর্ণাংশের ক্ষেত্রেঃ

এখানে দশমিক সংখ্যা (২৮৫০৭.৫০৭৬)১0 থেকে এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় পরিবর্তন করার মাধ্যমে দশমিক থেকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর শেখাব। প্রথমে পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশকে আলাদা করে নিতে হবে, তারপর রুপান্তর করতে হবে। কারণ দুই অংশের জন্য রুপান্তরের দুই রকম নিয়ম। নিচের চিত্রের সাহায্যে সহজেই বুঝতে পারবে-

রুপান্তরের নিয়ম একবার দেখে নিতে পারো এখানে

ভগ্নাংশের ক্ষেত্রেঃ

রুপান্তরের নিয়ম একবার দেখে নিতে পারো এখানে

দশমিক থেকে অক্টালে রূপান্তর

দশমিক থেকে অক্টালে রূপান্তর

পূর্ণাংশের ক্ষেত্রেঃ

এখানে দশমিক সংখ্যা (১৫৭৩১৪.০৪৬৮৭৫)১0 থেকে এর সমতুল্য অক্টাল সংখ্যায় পরিবর্তন করার মাধ্যমে দশমিক থেকে অক্টালে রূপান্তর শেখাব। প্রথমে পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশকে আলাদা করে নিতে হবে, তারপর রুপান্তর করতে হবে। কারণ দুই অংশের জন্য রুপান্তরের দুই রকম নিয়ম। নিচের চিত্রের সাহায্যে সহজেই বুঝতে পারবে-

রুপান্তরের নিয়ম একবার দেখে নিতে পারো এখানে

ভগ্নাংশের ক্ষেত্রেঃ

রুপান্তরের নিয়ম একবার দেখে নিতে পারো এখানে

দশমিক থেকে বাইনারিতে রূপান্তর


এখানে দশমিক সংখ্যা (৩৭৫.৫৭৫)১০ থেকে এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যায় পরিবর্তন করার মাধ্যমে দশমিক থেকে বাইনারিতে রূপান্তর শেখাব। প্রথমে পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশকে আলাদা করে নিতে হবে, তারপর রুপান্তর করতে হবে। কারণ দুই অংশের জন্য রুপান্তরের দুই রকম নিয়ম। নিচের চিত্রের সাহায্যে সহজেই বুঝতে পারবে-

পূর্ণাংশের ক্ষেত্রেঃ

রুপান্তরের নিয়ম একবার দেখে নিতে পারো এখানে

ভগ্নাংশের ক্ষেত্রেঃ

রুপান্তরের নিয়ম একবার দেখে নিতে পারো এখানে


বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই, ২০১৭

দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি থেকে যে কোন সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরের সহজ নিয়ম

দশমিক সংখ্যা থেকে যে কোন সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ

কম্পিউটার এর অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণ বুঝার জন্য নিচের সংখ্যা পদ্ধতি গুলোর রূপান্তর জানা প্রয়োজন

সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর করতে হলে অবশ্যই সংখ্যা পদ্ধতি গুলোর বেজ বা ভিত্তি আবশ্যক। কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণে সংশ্লিষ্ট সংখ্যা পদ্ধতি গুলোর বেজ নিম্নে দেয়া হল-

খুব শীগ্রই আসছে ..........

দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির দুটি অংশ থাকতে পারে। পূূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ। নিচে পূূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ রূপান্তরের সাধারণ নিয়ম দেয়া হল -

পূূর্ণাংশের ক্ষেত্রে নিয়ম নিম্নরূপ-

  • ধাপ১ : যে দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে পরিবর্তন করতে হবে তাকে কাঙ্ক্ষিত সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি ( যেমন- বাইনারি হলে ২, অক্টাল হলে ৮, হেক্সাডেসিমেল হলে ১৬ ) দ্বারা ভাগ করতে হবে এবং ভাগশেষটিকে সংরক্ষণ করতে হবে।
  • ধাপ২ : উপরের ধাপে প্রাপ্ত ভাগফলকে আবার কাঙ্ক্ষিত সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি দিয়ে ভাগ করতে হবে এবং ভাগ শেষটিকে সংরক্ষণ করতে হবে
  • ধাপ৩ : উপরের ধাপে প্রাপ্ত ভাগফলকে বেজ দ্বারা ভাগ করার প্রক্রিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত চলবে থাকবে যতক্ষণ না ভাগফল শূন্য হয়।
  • ধাপ৪ : প্রাপ্ত ভাগফলগুলোকে ( শেষে প্রাপ্ত ভাগশেষের দিক থেকে শুরুতে প্রাপ্ত ভাগশেষের দিকে ) সাজিয়ে লিখলেই রুপান্তরিত সংখ্যার পূর্ণাংশ পাওয়া যাবে

ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে নিয়ম নিম্নরূপ-

  • ধাপ১ : যে দশমিক ভগ্নাংশ সংখ্যাকে পরিবর্তন করতে হবে তাকে কাঙ্ক্ষিত সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি ( যেমন- বাইনারি হলে ২, অক্টাল হলে ৮, হেক্সাডেসিমেল হলে ১৬ ) দ্বারা গুণ করতে হবে এবং প্রাপ্ত গুণফলকে সংরক্ষণ করতে হবে।
  • ধাপ২ : উপরের ধাপে প্রাপ্ত গুনফলের ভগ্নাংশকে আবার কাঙ্ক্ষিত সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি দিয়ে গুণ করতে হবে এবং গুনফলের পূূর্ণাংশকে সংরক্ষণ করতে হবে
  • ধাপ৩ : উপরের ধাপটি প্রাপ্ত গুনফলকে বেজ দ্বারা গুন করার প্রক্রিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত চলবে থাকবে যতক্ষণ না গুনফল শূন্য হয়।
  • ধাপ৪ : রেডিক্সই পয়েনটের পরে প্রাপ্ত পূূর্ণাংশগুলোক( শুরুতে প্রাপ্ত পূূর্ণকের দিক থেকে শেষে প্রাপ্ত পূূর্ণকের দিকে ) সাজিয়ে লিখলেই রুপান্তরিত সংখ্যার ভগ্নাংশ পাওয়া যাবে

Featured Post

প্রোগ্রামিং ভাষা

প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ: প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ একটি নির্দেশাবলীর সেট কে সংজ্ঞায়িত করে, যা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে একসাথে সংক...