Communication Systems and Networking লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Communication Systems and Networking লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা WAN কি? WAN সম্পর্কে বিস্তারিত লেখ।

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক এমন একটি নেটওয়ার্ক যা বৃহত ভৌগলিক অঞ্চল যেমন রাজ্য বা দেশগুলিতে বিস্তৃত। ল্যানের চেয়ে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বেশ বড় নেটওয়ার্ক।

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক কেবল একটি জায়গাতেই সীমাবদ্ধ নয়, তবে এটি টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক কেবল বা স্যাটেলাইট লিঙ্কের মাধ্যমে একটি বিশাল ভৌগলিক অঞ্চল জুড়ে থাকে।

ইন্টারনেট বিশ্বের একটি বৃহত্তম WAN।

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবসায়, সরকার এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

WAN এর দুটি প্রকার রয়েছে: সুইচড WAN এবং পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট WAN.

WAN ডিজাইন করা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা কঠিন।

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কি?

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হল ডিভাইস সমুহের একটি সেট যা একটি লিংকের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। একটি নোড যেটা হতে পারে একটি কম্পিউটার, প্রিন্টার বা ডেটা প্রেরণ বা গ্রহণ করতে সক্ষম অন্য কোনও ডিভাইস। যে লিঙ্কগুলি নোডগুলিকে সংযুক্ত করে তা যোগাযোগ চ্যানেল হিসাবে পরিচিত।

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর প্রকারঃ

একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে তাদের আকার দ্বারা শ্রেণিবদ্ধ করা যেতে পারে। একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রধানত চার ধরণের হয়:

  1. LAN বা ল্যান (স্থানীয় অঞ্চল নেটওয়ার্ক)

  2. PAN বা প্যান (ব্যক্তিগত অঞ্চল নেটওয়ার্ক)

  3. MAN বা মান (মহানগর অঞ্চল নেটওয়ার্ক)

  4. WAN বা ওয়ান (ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক)

মডেম কি? মডেমের ব্যবহার বর্ণনা কর। অথবা ডেটা ট্রান্সমিশন প্রক্রিয়ায় মডেম কীভাবে ব্যবহৃত হয় তা বর্ণনা কর। অথবা মডেমের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান পদ্ধতি বর্ণনা কর।


মডেম:

মডেম একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা বিদ্যমান টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে কম্পিউটারকে ইন্টারনেটের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে দেয়। এটি মডিউলেটার / ডিমোডুলেটরকে বোঝায়। এটি টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ডিজিটাল ডেটাটিকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে।

গতি এবং সংক্রমণ হারের পার্থক্যের ভিত্তিতে একটি মডেমকে নিম্নলিখিত বিভাগগুলিতে শ্রেণিবদ্ধ করা যেতে পারে:-

  1. স্ট্যান্ডার্ড পিসি মডেম বা ডায়াল-আপ মডেম

  2. সেলুলার মডেম

  3. তারের মডেম

মডেমের ব্যবহারঃ

কম্পিউটারে প্রদত্ত ডেটা ও তথ্য মুলত ডিজিটাল সংকেত। আর ডেটা কমিউনিকেশনের জন্য ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে এবং অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করা প্রয়োজন। মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা গ্রাহকের নিকট প্রেরণ করে। অন্যদিকে গ্রাহক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম সেই অ্যানালগ সংকেতকে আবার ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে টা কম্পিউটারের ব্যবহার উপযোগী করে তোলে। প্রেরক ও প্রাপক উভয় প্রান্তে মডেম ব্যবহার করা হয়।

গঠন চিত্রঃ

খুব শীঘ্রই আসছে .......

প্রথম অংশে- কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেত কে মডেম ইনপুট হিসেবে নিয়ে মডুলেটরের মাধ্যমে রুপান্তর করে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে অ্যানালগ আউটপুট দেয়।

দ্বিতীয় অংশে- অ্যানালগ সংকেতকে ডিমডুলেটরের সাহায্যে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে কম্পিউটারে ডিজিটাল আউটপুট দেয়।

ফাইবার অপটিক ক্যাবলের সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ লিখ।


ফাইবার অপটিক ক্যাবলের সুবিধাসমূহ নিম্নরূপ-

  1. আলোর গতিতে ডেটা স্থানান্তরিত হয় এবং অপেক্ষাকৃত দ্রুত গতি সম্পন্ন।

  2. উচ্চ ব্যান্ডউইথ সম্পন্ন।

  3. এর মাধ্যমে অনেক দূরে ডাটা স্থানান্তরিত করা যায়।

  4. শক্তি ক্ষয় করে কম।

  5. অপটিক ক্যাবলে ডাটা স্থানান্তরে বিশ্বাসযোগ্যতা ও গোপনীয়তা বজায় থাকে।

  6. পাতলা এবং শক্ত।

  7. বিদ্যুৎ চৌম্বক প্রভাব হতে মুক্ত।

ফাইবার অপটিক ক্যাবলের অসুবিধাসমূহ নিম্নরূপ-

  1. ফাইবার অপটিক ক্যাবলকে U আকরে বাঁকানো যায় না তাই যেখানে অধিক বাঁকানোর প্রয়োজন হয় না সেখানেই অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা সম্ভব।

  2. এই অত্যন্ত ব্যবহুল।

  3. ফাইবার অপটিক ক্যাবল স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য দক্ষ ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন জনবল প্রয়োজন হয়।

ফাইবার অপটিক ক্যাবল কি? ফাইবার অপটিক ক্যাবলের গঠন ও প্রকারভেদ বর্ণনা কর।

ফাইবার অপটিক ক্যাবলঃ

ফাইবার অপটিক ক্যাবল এমন একটি ক্যাবল যা যোগাযোগের জন্য বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করে।এটি প্লাস্টিকের প্রলেপযুক্ত অপটিকাল ফাইবারকে ধারণ করে যা আলোর ডাল দ্বারা ডেটা প্রেরণে ব্যবহৃত হয়। ফাইবার অপটিক্স তামার তারের চেয়ে দ্রুত ডেটা স্থান্নান্তর করতে পারে।

অংশসমুহঃ

ফাইবার অপটিক ক্যাবলের তিনটি অংশ আছে। যেমন-

  1. কোরঃ

    অপটিকাল ফাইবারটি গ্লাস বা প্লাস্টিকের একটি সংকীর্ণ স্ট্র্যান্ড থাকে যা একটি কোর হিসাবে পরিচিত। একটি কোর ফাইবারের একটি হালকা সংক্রমণ অঞ্চল। মূলটির ক্ষেত্র যত বেশি হবে তত বেশি আলো ফাইবারে সঞ্চারিত হবে।

  2. ক্ল্যাডিংঃ

    কাচের ঘনক স্তর ক্ল্যাডিং হিসাবে পরিচিত। ক্ল্যাডিংয়ের প্রধান কার্যকারিতা হ'ল মূল ইন্টারফেসে নিম্ন অপসারণের সূচক সরবরাহ করা যাতে কোরের মধ্যে প্রতিবিম্ব দেখা দেয় যাতে আলোর তরঙ্গগুলি ফাইবারের মাধ্যমে সঞ্চারিত হয়।

  3. জ্যাকেটঃ

    প্লাস্টিকের সমন্বিত প্রতিরক্ষামূলক আবরণ একটি জ্যাকেট হিসাবে পরিচিত। একটি জ্যাকেটের মূল উদ্দেশ্য হ'ল ফাইবার শক্তি সংরক্ষণ করা, শক এবং অতিরিক্ত ফাইবার সুরক্ষা শোষণ করা।

গঠনঃ

এটি ডাই-ইলেকট্রিক পদার্থ দিয়ে তৈরি এক ধরনের আঁশ-যা আলো নিবন্ধকরণ ও পরিবহণে সক্ষম। বিভিন্ন প্রতিসরাংকের এই ধরনের ডাই-ইলেকট্রিক দিয়ে ফাইবার অপটিক ক্যাবল গঠিত।

গঠন চিত্রঃ

খুব শীঘ্রই আসছে .......

টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল কি? টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের গঠন বর্ণনা কর।

টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলঃ

দুটি পরিবাহী তারকে পরস্পর সুষমভাবে পেঁচিয়ে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল তৈরি করা হয়। পেঁচানো দুটি তার কে পরস্পর থেকে পৃথক রাখার জন্য মাঝে একটি অর্ধপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের ক্যাবলে সাধারণত মোট ৪ জোড়া তার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। প্রতি জোড়া তারের মাঝে একটি সাধারণ বা কমন রংয়ের তার থাকে এবং অপর তার গুলো ভিন্ন ভিন্ন রংয়ের হয়। এ জোড়ের তারের জন্য ফ্রিকোয়েন্সি ব্যাপ্তি ০ থেকে ৩.৫ KHz।

গঠন চিত্র:

খুব শীঘ্রই আসছে .......

হাফ–ডুপ্লেক্স এবং ফুল-ডুপ্লেক্স মোডের মধ্যে পার্থক্য কি?


হাফ-ডুপ্লেক্স এবং ফুল-ডুপ্লেক্স মোডের পার্থক্য নিম্নরূপ -

হাফ –ডুপ্লেক্স ফুল-ডুপ্লেক্স
হাফ–ডুপ্লেক্স মোডে যোগাযোগ দ্বিমুখী, তবে একবারে একটি ঘটে। ফুল–ডুপ্লেক্স মোডে যোগাযোগ দ্বিমুখী, তবে একই সাথে দুইটিই ঘটতে পারে।
উভয় ডিভাইসই ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে তবে একবারে একটি করে। উভয় ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের চেয়ে ফুল-ডুপ্লেক্স মোডের পারফরম্যান্স ভাল। যোগাযোগ-চ্যানেলের সক্ষমতা ব্যবহারের দ্বিগুণ হওয়ার কারণে ফুল-ডুপ্লেক্স মোডটি হাফ–ডুপ্লেক্স মোডের থেকে আরও ভাল পারফরম্যান্স রয়েছে।
হাফ-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ হল ওয়াকি-টকিজ। ফুল-ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ হল টেলিফোন নেটওয়ার্ক, মোবাইল ফোন।

ডেটা ট্রান্সমিশন মোড সম্পর্কে বিস্তারিত লিখ? অথবা ডেটা ট্রান্সমিশন মোড কি? বিভিন্ন প্রকার ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের বর্ণনা দাও। অথবা দিক বৈশিষ্টের ভিত্তিতে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা কর।

ডেটা ট্রান্সমিশন মোডঃ

ডেটা ট্রান্সমিশনে উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা পাঠানো হয়। উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলে।

ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড তিন ভাগে বিভক্ত।

  1. সিমপ্লেক্স

  2. হাফ-ডুপ্লেক্স

  3. ফুল-ডুপ্লেক্স

নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলঃ-

খুব শীঘ্রই আসছে .......

সিনক্রোনাস ও অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের এর মধ্যে পার্থক্য কি?

সিনক্রোনাস ও অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের এর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ -

খুব শীঘ্রই আসছে .......

সিনক্রোনাস ও অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন এর সুবিধা ও আসুবিধা বর্ণনা কর।

সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনের সুবিধা সমূহঃ-

  1. সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনের দক্ষতা অ্যাসিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনের তুলনায় অপেক্ষাকৃত বেশি।

  2. অবিরাম ট্রান্সমিশন কাজ চলতে থাকার ফলে এর ট্রান্সমিশন গতি অপেক্ষাকৃত বেশি।

  3. প্রতি ক্যারেক্টারের পর টাইম ইন্টারভেল এর প্রয়োজন হয় না।

  4. ডেটা ট্রান্সমিশন হতে সময় তুলামুলক কম লাগে।

সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনের অসুবিধা সমূহঃ

  1. প্রেরকের স্টেশনে প্রেরকের সাথে একটি প্রাথমিক সংরক্ষণ ডিভাইসের প্রয়োজন হয়।

  2. এটি তুলনামুলকভাবে ব্যয়বহুল।

অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের সুবিধা সমূহঃ-

  1. প্রেরক যে কোন সময় ডেটা ট্রান্সমিট করতে পারে এবং গ্রাহকও তা গ্রহণ করতে পারে।

  2. ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য প্রেরকের কোন প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না।

  3. এটার ইন্সটলেশন ব্যয় অত্যন্ত কম।

  4. অল্প করে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য এই পদ্ধতি বেশি উপযোগী।

অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের অসুবিধা সমূহঃ-

  1. প্রতিক্রিয়া সময় অনুমান করা যায় না।

  2. ডেটা ট্রান্সমিশনে গতি অপেক্ষাকৃত কম।

  3. ত্রুটিগুলি সমাধান করা অনেক জটিল।

  4. এ জাতীয় ট্রান্সমিশনের অ্যাপ্লিকেশনের জন্য নকশা করা তুলনামূলক ভাবে কঠিন।

সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন কি? এর সুবিধা ও অসুবিধাগুলো লিখ।

সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:

সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন এমন একটি সিস্টেম যেখানে প্রেরক স্টেশনে প্রথমে ডেটাকে কোন প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইসে সংরক্ষণ করে ডেটার ক্যারেক্টারসমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়। প্রতিটি ব্লকে কমপক্ষে ৮০ থেকে ১৩২ টি ক্যারেক্টার থাকে।

সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনের সুবিধা সমূহঃ

  1. সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনের দক্ষতা অ্যাসিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনের তুলনায় অপেক্ষাকৃত বেশি।

  2. অবিরাম ট্রান্সমিশন কাজ চলতে থাকার ফলে এর ট্রান্সমিশন গতি অপেক্ষাকৃত বেশি।

  3. প্রতি ক্যারেক্টারের পর টাইম ইন্টারভেল এর প্রয়োজন হয় না।

  4. ডেটা ট্রান্সমিশন হতে সময় তুলামুলক কম লাগে।

সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনের অসুবিধা সমূহঃ

  1. প্রেরকের স্টেশনে প্রেরকের সাথে একটি প্রাথমিক সংরক্ষণ ডিভাইসের প্রয়োজন হয়।

  2. এটি তুলনামুলকভাবে ব্যয়বহুল।

অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন কি? এর সুবিধা ও আসুবিধা গুলো কি লিখ।

অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ

যে ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডেটা প্রেরক হতে গ্রাহকের কাছে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয় তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।

অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের সুবিধা সমূহঃ-

  1. প্রেরক যে কোন সময় ডেটা ট্রান্সমিট করতে পারে এবং গ্রাহকও তা গ্রহণ করতে পারে।

  2. ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য প্রেরকের কোন প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না।

  3. এটার ইন্সটলেশন ব্যয় অত্যন্ত কম।

  4. অল্প করে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য এই পদ্ধতি বেশি উপযোগী।

অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের অসুবিধা সমূহঃ-

  1. প্রতিক্রিয়া সময় অনুমান করা যায় না।

  2. ডেটা ট্রান্সমিশনে গতি অপেক্ষাকৃত কম।

  3. ত্রুটিগুলি সমাধান করা অনেক জটিল।

  4. এ জাতীয় ট্রান্সমিশনের অ্যাপ্লিকেশনের জন্য নকশা করা তুলনামূলক ভাবে কঠিন।

ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড কি? বিভিন্ন প্রকার ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সম্পর্কে বিস্তারিত লিখ। অথবা ব্যান্ডউইথ কি? ডেটা কমিউনিকেশন স্পীডকে কত ভাগে ভাগ করা যায় ও কি কি?


ব্যান্ডউইথ বা ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীডঃ

এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইস বা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।

এই ট্রান্সমিশন স্পীড কে অনেক সময় ব্যান্ডউইথ বলা হয়।

আর ব্যান্ডউইথ বিট পার সেকেন্ডে হিসাব করা হয়।

ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যেমনঃ-

  1. ন্যারো ব্যান্ড

  2. ভয়েস ব্যান্ড

  3. ব্রড ব্যান্ড

নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হল-

  1. ন্যারো ব্যান্ডঃ ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত ৪৫ থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। ধীর গতিতে ডেটা স্থানান্তরের জন্য এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

  2. ভয়েস ব্যান্ডঃ ফ্রিকোয়েন্সিগুলির ব্যাপ্তি সাধারণত মানুষের কাছে শ্রবণযোগ্য। এই ব্যান্ডের ডেটা স্থানান্তর গতি ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়।

  3. ব্রড ব্যান্ডঃ ব্রডব্যান্ড হল প্রশস্ত ব্যান্ডউইথ ডেটা ট্রান্সমিশন যা একাধিক সিগন্যাল এবং বিভিন্ন ট্রাফিক পরিবহন করে। এই ব্যান্ড ডেটা স্থানান্তর গতি উচ্চগতি সম্পন্ন যা কমপক্ষে ১Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। ব্রড ব্যান্ড ডেটা ট্রান্সমিশনে সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়।

ডেটা ট্রান্সমিশন কি? ডেটা ট্রান্সমিশন সম্পর্কে বিস্তারিত লিখ।


ডেটা ট্রান্সমিশন বলতে দুই বা ততোধিক ডিজিটাল ডিভাইসের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া বোঝায়। অ্যানালগ বা ডিজিটাল ফর্ম্যাটে ডেটা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরিত হয়। মূলত, ডেটা ট্রান্সমিশন ডিভাইসগুলির মধ্যে ডিভাইস বা উপাদানগুলিকে একে অপরের সাথে কথা বলতে সক্ষম করে। ডেটা ট্রান্সমিশনে ডেটা বৈদ্যুতিন চৌম্বকীয় সংকেত যেমন - বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ, রেডিওওয়েভ, মাইক্রোওয়েভ বা ইনফ্রারেড সংকেত হিসাবে উপস্থাপিত হয়।

ডেটা কমিউনিকেশনের উপাদান বা অংশসমুহ কি কি বর্ণনা কর।


ডেটা কমিউনিকেশনের পাঁচটি উপাদান রয়েছে। যেমন -

  1. উৎস

  2. প্রেরক

  3. কমিউনিকেশন চ্যানেল বা মাধ্যম

  4. গ্রাহক বা প্রাপক

  5. গন্তব্য

নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হল -

  1. উৎসঃ যে ডিভাইস হতে ডাটা পাঠানো হয় তাকে উৎস বলে। যেমন - কম্পিউটার, টেলিফোন ইত্যাদি।

  2. প্রেরকঃ উৎস হতে ডেটা নিয়ে প্রেরক যন্ত্র কমিউনিকেশন মাধ্যমে পাঠায়। যেমন - মডেম।

  3. কমিউনিকেশন চ্যানেল বা মাধ্যমঃ যার মধ্যদিয়ে ডাটা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায় তাকে কমিউনিকেশন চ্যানেল বা মাধ্যম বলে। এই মাধ্যম হিসেবে তার, টেলিফোন লাইন , রেডিওওয়েভ, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট প্রভৃতি ব্যবহার করা হয়।

  4. গ্রাহক বা প্রাপকঃ কমিউনিকেশন চ্যানেলে বা মাধ্যমে ডাটা যার কাছে পাঠানো হয় তাকে গ্রাহক বা প্রাপক বলে। যেমন- মডেম।

  5. গন্তব্যঃ সর্বশেষ গন্তব্য হিসেবে সার্ভার, পার্সোনাল কম্পিউটার ব্যাবহার করা হয়।

চিত্র

ডেটা কমিউনিকেশন কি?


ডেটা কমিউনিকেশন বলতে দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে ডিজিটাল ডেটা স্থানান্তর বোঝায় এবং একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ডেটা নেটওয়ার্ক একটি টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক যা কম্পিউটারগুলিকে ডেটা বিনিময় করতে দেয়। নেটওয়্যার্ক কম্পিউটিং ডিভাইসগুলির মধ্যে ক্যাবল মিডিয়া বা ওয়্যারলেস মিডিয়া ব্যবহার করে ফিজিক্যাল সংযোগ প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

রিং টপোলজি সুবিধা ও অসুবিধা লিখ।


সুবিধা সমূহ নিম্নরূপ -

  1. নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট: ত্রুটিযুক্ত ডিভাইসগুলি নেটওয়ার্কটি ডাউনে না এনেও নেটওয়ার্ক থেকে সরানো যেতে পারে।

  2. পণ্যের উপলভ্যতা: নেটওয়ার্ক অপারেশন এবং পর্যবেক্ষণের জন্য অনেক হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার সরঞ্জাম পর্যাপ্ত পাওয়া যায়।

  3. ব্যয়: বাঁকা জোড়ের ক্যাবলিং সস্তা এবং সহজেই পাওয়া যায়। অতএব, ইনস্টলেশন খরচ খুব কম।

  4. নির্ভরযোগ্য: এটি আরও নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক কারণ যোগাযোগ ব্যবস্থাটি একক হোস্ট কম্পিউটারের উপর নির্ভর করে না।

অসুবিধা সমূহ নিম্নরূপ -

  1. সমস্যা সমাধান জটিল: তারের ত্রুটিগুলি নির্ধারণেতি জন্য বিশেষ পরীক্ষার সরঞ্জাম প্রয়োজন হয়। তারে যদি কোনও ত্রুটি দেখা দেয় তবে তা সমস্ত নোডের জন্য যোগাযোগকে ব্যাহত করে।

  2. ব্যর্থতা: একটি স্টেশনের ভাঙ্গন সামগ্রিক নেটওয়ার্কে ব্যর্থতার দিকে নিয়ে যায়।

  3. পুনরায় কনফিগারেশন কঠিন: নেটওয়ার্কে নতুন ডিভাইস যুক্ত করলে নেটওয়ার্ককে ধীর করবে।

  4. বিলম্ব: যোগাযোগের বিলম্ব সরাসরি নোডের সংখ্যার সাথে সমানুপাতিক। নতুন ডিভাইস যুক্ত করলে যোগাযোগের বিলম্বকে আরো বাড়িয়ে তোলে।

স্টার টপোলজি সুবিধা ও অসুবিধা লিখ।


সুবিধা সমূহ নিম্নরুপ -

  1. দক্ষ সমস্যা সমাধান: সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে বাস টপোলজির তুলনায়স্টার টপোলজি বেশ দক্ষ।

  2. সমস্ত স্টেশন কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত রয়েছে। সুতরাং সমস্যা সমাধানের জন্য নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটরকে একক স্টেশনে যেতে হয়।

  3. সীমাবদ্ধ ব্যর্থতা: প্রতিটি স্টেশন যেহেতু নিজস্ব তারের সাহায্যে কেন্দ্রীয় হাবের সাথে সংযুজ্জ থাকে সুতরাং এক কেবলের ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করবে না।

  4. সহজেই প্রসারণযোগ্য: হাবের মুক্ত পোর্টে নতুন স্টেশন যুক্ত করা যায় বলে এটি সহজেই প্রসারণযোগ্য।

  5. কার্যকর ব্যয়: স্টার টপোলজি নেটওয়ার্কগুলির কার্যকর ব্যয় হয় কারণ এটি সস্তা দামের ক্যাবল ব্যবহার করে।

  6. উচ্চ ডেটার গতি: এটি প্রায় 100 এমবিপিএসের ব্যান্ডউইথকে সমর্থন করে।

অসুবিধা সমূহ নিম্নরুপ -

  1. কেন্দ্রীয় ব্যর্থতা বিন্দু: যদি কেন্দ্রীয় হাব বা স্যুইচটি নষ্ট হয়ে যায় তবে সমস্ত সংযুক্ত নোড একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হবে না।

  2. কেবল: কখনও কখনও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রাউটিংয়ের প্রয়োজন হলে ক্যাবল রাউটিংটি কঠিন হয়ে যায়।

বাস টপোলজি সুবিধা ও অসুবিধা লিখ।


সুবিধা সমূহ নিম্নরুপ -

  1. কম দামের কেবল: বাস টপোলজিতে নোডগুলি কোনও হাবের মধ্য দিয়ে না গিয়ে সরাসরি তারের সাথে সংযুক্ত থাকে। অতএব, ইনস্টলেশন প্রাথমিক খরচ কম হয়।

  2. মাঝারি তথ্যের গতি: কোক্সিয়াল বা পাকানো জোড়ের ক্যাবলগুলি মূলত বাস-ভিত্তিক নেটওয়ার্কগুলিতে ব্যবহৃত হয় যা 10 এমবিপিএস পর্যন্ত সমর্থন করে।

  3. পরিচিত প্রযুক্তি: বাস টপোলজি একটি পরিচিত প্রযুক্তি কারণ ইনস্টলেশন ও সমস্যা সমাধানের কৌশলগুলি সুপরিচিত এবং হার্ডওয়্যার উপাদানগুলি সহজেই উপলব্ধ।

  4. সীমাবদ্ধ ব্যর্থতা: একটি নোড ব্যর্থ হলে অন্য নোডগুলিতে কোনও প্রভাব ফেলবে না।

অসুবিধা সমূহ নিম্নরুপ -

  1. বিস্তৃত ক্যাবলিং: বাস টপোলজি বেশ সহজ হলেও এর জন্য প্রচুর ক্যাবলিং লাগবে।

  2. সমস্যা সমাধান অসুবিধাজনক: তারের ত্রুটিগুলি নির্ধারণের জন্য এটির জন্য বিশেষ পরীক্ষার সরঞ্জাম প্রয়োজন। তারে যদি কোনও ত্রুটি দেখা দেয় তবে তা সমস্ত নোডের জন্য যোগাযোগকে ব্যাহত করে।

  3. সংকেত হস্তক্ষেপ: যদি দুটি নোড একযোগে বার্তা পাঠায় তবে উভয় নোডের সংকেত একে অপরের সাথে সংঘর্ষ হয়।

  4. পুনঃ কনফিগারেশন কঠিন: নেটওয়ার্কে নতুন ডিভাইস যুক্ত করা হলে নেটওয়ার্ককে ধীর করবে।

স্টার, বাস, ট্রি নেটওয়ার্ক গঠন ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত লিখ।


স্টার টপোলজি

স্টার টপোলজিতে সমস্ত ডিভাইস একটি ক্যাবলের মাধ্যমে একটি হাবের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই হাবটি হল কেন্দ্রীয় নোড এবং অন্য সমস্ত নোড এই কেন্দ্রীয় নোডের সাথে সংযুক্ত থাকে।

গঠন চিত্র

খুব শীগ্রই আসছে ..........

বৈশিষ্ট্য সমুহ

  1. ক্যাবলে ব্যবহার করে ডিভাইস গুলো কেন্দ্রীয় নোডের (হাব) সাথে যুক্ত থাকে।

  2. সর্বাধিক প্রচলিত কারণ এটি ইনস্টলেশন সহজ।

  3. এর সবচেয়ে বড় সমস্যা হল যদি কেন্দ্রীয় নোডের (হাব) নষ্ট হয় তবে পুরো নেটওয়ার্কটি ধ্বংস হয়ে যায়।

  4. এতে RJ-45 এবং কোএক্সিয়াল তারের ব্যবহার হয়।

বাস টপোলজি

বাস টোপোলজি একটি নেটওয়ার্ক টাইপ যেখানে প্রতিটি কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ক ডিভাইস একক তারের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি একক দিক থেকে অন্য প্রান্তে ডেটা প্রেরণ করে।

গঠন চিত্র

খুব শীগ্রই আসছে ..........

বৈশিষ্ট্য সমুহ

  1. সংযুক্ত করার জন্য একটি ক্যাবল ব্যবহার করে যার উভয় প্রান্ত নোডের সাথে যুক্ত থাকে।

  2. সর্বাধিক প্রচলিত কারণ এটি ইনস্টলেশন সহজ।

  3. এর সবচেয়ে বড় সমস্যা হল যদি একটি তার ভেঙে যায় বা আলগা হয় তবে পুরো নেটওয়ার্কটি ধ্বংস হয়ে যায়।

  4. এতে কোএক্সিয়াল তারের ব্যবহার হয়।



ট্রি টপোলজি

এই টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলিকে একত্রিত করে। ট্রি বা বৃক্ষ টপোলজি হ'ল এক ধরণের কাঠামো যেখানে সমস্ত কম্পিউটার একে অপরের সাথে শ্রেণিবদ্ধ গঠনে সংযুক্ত থাকে।

গঠন চিত্র

খুব শীগ্রই আসছে ..........

বৈশিষ্ট্য সমুহ

  1. ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য দুটি নোডের মধ্যে কেবল একটি পথ থাকে।

  2. এটি একটি প্যারেন্ট-চাইল্ড ক্রমবিন্যাস গঠন করে।

  3. এটি ইনস্টলেশন করা কঠিন।

Featured Post

প্রোগ্রামিং ভাষা

প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ: প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ একটি নির্দেশাবলীর সেট কে সংজ্ঞায়িত করে, যা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে একসাথে সংক...