Number System লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Number System লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০

ইউনিকোড কি?

ইউনিকোড:

ইউনিকোড হল একটি সর্বজনীন আন্তর্জাতিক মানের ক্যারেক্টার এনকোডিং যা বিশ্বের বেশিরভাগ লিখিত ভাষার প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম। এটা মুলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড। এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬ বা ২^১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। এই ইউনিকোডকে উন্নত করার জন্য Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

অক্টাল কোড কি?

অক্টাল কোড:

অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অংককে বাইনারি সংখ্যার তিন বিটের গ্রুপ দ্বারা সমতুল্য বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করাকে অক্টাল কোড বলে।

অক্টাল পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের জন্য এই কোড ব্যবহৃত হয়। যেহেতু অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ থেকে ৭ মোট ৮ টি অংকের প্রতিটিকে নির্দেশের জন্য ৩ টি বাইনারি অংক প্রয়োজন। সুতরাং ৩ টি বিট দ্বারা ২^৩ অর্থাৎ ৮ টি ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করে।

রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৭

কম্পিউটার সিস্টেম এ অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা কি?

কম্পিউটার সিস্টেম এ অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা নিম্নে আলোকপাত করা হল-

তোমরা ইতিমদ্ধে নিশ্চয় জেনেছ যে, কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ সমস্ত কাজ এক মাত্র বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতেই হয়। অভ্যন্তরীণ কাজের ব্যাখ্যার জন্য অসংখ্য 0 এবং 1 বিটের প্রয়োজন।

আর 0 এবং 1 দ্বারা অভ্যন্তরীণ কাজের বর্ণনা করাতে ভুলের সম্ভাবনা খুব বেশি। এ ছাড়া খুবই বিরক্তিকর। এ জন্য অক্টাল এবং হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিদ্বয়কে সাধারণত বাইনারি সংখ্যার সংক্ষিপ্ত সংকেত হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

কারণ কোন প্রকার জটিল হিসাব ছাড়াই বাইনারি সংখ্যা কে অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেলে পরিবর্তন করা যায়। যেমন-

বাইনারির প্রতি তিন ডিজিট কে একত্রে নিয়ে (যেমন- ১১১ ১১০ ১০১ ১০০ ০১১ )কে অক্টাল ৭ ৬ ৫ ৪ ৩ এবং বাইনারির প্রতি চার ডিজিট কে একত্রে নিয়ে( যেমন- ০০০০ ০০০১ ০১১১ ০০০১ ০১১১ ০০০১ ০০১০ ০০১১ ০০১০ ০১০০ ০১০০) কে হেক্সাডেসিমেল ০ ১ ৭ ১ ৭ ১ ২ ৩ ২ ৪ ৪ এভাবে প্রকাশ করলে বুঝতে সুবিধা হয়।

কিন্তু বাইনারিতে এত গুলো ডিজিট মনে রাখা অনেক কঠিন কাজ। এই কারণে কম্পিউটার সিস্টেমে বাইনারির পাশাপাশি অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা্রও অনেক গুরত্ব ও প্রয়োজনীয়তা আছে।

রবিবার, ১৬ জুলাই, ২০১৭

কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় কেন?


কম্পিউটার ডিজাইনে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করার কিছু যৌক্তিক কারণ আছে।

কারণ গুলো নিম্নে বর্ণিত হল-

  1. আমরা আমাদের সকল গাণিতিক হিসাব করতে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকি। এ জন্য আমাদের ১০ টি অংক (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯) প্রয়োজন হয়। কিন্তু কম্পিউটার সকল কাজ ইলেক্ট্রিক্যাল সিগনাল এর সাহায্যে করে থাকে।

    আর ইলেক্ট্রিক্যাল সিগনাল এ দুটি মাত্র ডাটা থাকতে পারে high এবং low ভোল্ট। তাই ইলেক্ট্রিক্যাল সিগনাল এর সাহায্যে দশমিকের ১০ টি অংক প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

    কিন্তু বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে দুটি সঙ্কেত বা অংক থাকে ০ আর ১। এজন্য বাইনারি সংকেতকে কে খুব সহজেই ইলেক্ট্রিক্যাল সিগনাল এর সাহায্যে প্রকাশ করা যায়।

  2. বাইনারি পদ্ধতিতে মাত্র দুটি অংক তাই ইলেক্ট্রিক সার্কিট ডিজাইন সহজ।

  3. ইলেক্ট্রনিক বা ডিজিটাল যন্ত্রাংশ বাইনারি মোডে কাজ করে। যেমন- একটা সুইচ সুধু মাত্র অন অথবা অফ হতে পারে যা বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির সাথে মিলে যায়।

এ সকল কারণে কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়


বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই, ২০১৭

সংখ্যা পদ্ধতির বেজ(BASE) বা ভিত্তি

সংখ্যা পদ্ধতির বেজ:

সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হল ঐ প্রদত্ত সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মৌলিক চিহ্ন সমূহের মোট সংখ্যা। সংখ্যা পদ্ধতির বেজ-এর উপর ভিত্তি করে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন-

  1. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০

  2. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২

  3. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮

  4. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬

পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হল N BASE সংখ্যা পদ্ধতি।

দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিঃ-

এ সংখ্যা পদ্ধতিতে দশটি অংক ব্যবহৃত হয় সুতরাং এর বেজ ১০। দশটি অংক হল ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ ও ৯। সাধারণত প্রত্যহিক জীবনে আমরা এই সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকি। সাধারণ ক্রিয়াকলাপ থেকে শুরু করে জটিল সব হিসাব-নিকাশেও এই সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে।

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিঃ-

এ সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র দুটি অংক ব্যবহৃত হয় ০ এবং ১ । অতএব সংখ্যা পদ্ধতির বেজ ২ । একে দ্বিমিক সংখ্যাও বলা হয়। ০ অথবা ১ অংক কে বিট বলা হয়। এরকম ৮ বিট মিলে এক বাইট হয়। কম্পিউটার সিস্টেমে এই সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
০১
১০
১১
১০০
১০১
১১০
১১১
১০০০
১০০১
১০ ১০১০

চিত্রঃ দশমিক ও সমকক্ষ বাইনারি পদ্ধতিতে গণনা।


অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিঃ-

এ সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অংক ব্যবহৃত হয় অতএব এর বেজ ৮। আটটি অংক হল ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭।

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিঃ-

এ সংখ্যা পদ্ধতিতে ষোলটি অংক ব্যবহৃত হয় অতএব এর বেজ হল ১৬ । ষোলটি অংক হল ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F। এখানে A=১০, B=১১, C=১২, D=১৩, E=১৪ এবং F=১৫ ।

মঙ্গলবার, ৪ জুলাই, ২০১৭

সংখ্যা পদ্ধতি (Number System)


সংখ্যা পদ্ধতিঃ

সংখ্যা পদ্ধতি হল সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতি। আর সংখ্যা তৈরি করার জন্য যে বিভিন্ন প্রতীক ব্যবহার করা হয় তাদের প্রত্যকটিকে এক একটি অংক বলে। যেমন- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ,৭ ,৮ ,৯। এখানে ১০ টি প্রতীক লেখা হয়েছে যার প্রতিটিই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির এক এক টি অংক। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে এই প্রতীক গুলোই ১০ টি অংক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদঃ

সংখ্যা পদ্ধতি প্রধানত দুই প্রকার -

  1. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি ও

  2. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি

নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হল-

  1. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিঃ

    বর্তমানে বহুল প্রচলিত সংখ্যা পদ্ধতি হল পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে কোন সংখ্যার মান বের করতে তিনটি উপাত্ত লাগে। নিম্নে উল্লেখ করা হল-

    1. সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অংকগুলোর নিজস্ব মান।

    2. সংখ্যা পদ্ধতিটির বেজ।

    3. সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অংকগুলোর অবস্থান বা স্থানীয় মান।

    পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রতিটি সংখ্যাকে রেডীক্স পয়েন্ট (.) দিয়ে পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশ দুই অংকে ভাগ করা হয়। যেমনঃ- ৩৭৫.৫৭৫ একটি দশমিক সংখ্যা এতে তিনটি অংশ আছে। এখানে ৩৭৫ পূর্ণাংশ (.) রেডীক্স পয়েন্ট এবং ৫৭৫ হল ভগ্নাংশ।

    খুব শীগ্রই আসছে ..........
  2. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:

    নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি অতীতে ব্যবহৃত হত এখন আর এর ব্যবহার নেই।

Featured Post

প্রোগ্রামিং ভাষা

প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ: প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ একটি নির্দেশাবলীর সেট কে সংজ্ঞায়িত করে, যা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে একসাথে সংক...