Database Management System লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Database Management System লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০

ইন্ডেক্সিংয়ের অসুবিধাসমূহ লিখ।

ইন্ডেক্সিংয়ের অসুবিধাসমূহ নিম্নরূপ:-

  1. ইনডেক্সিং ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমটি সম্পাদন করতে টেবিলে একটি অনন্য মান সহ একটি প্রাথমিক কী প্রয়োজন হয়।

  2. ইনডেক্স বা সূচকযুক্ত ডেটাতে অন্য কোনও ইনডেক্স বা সূচি সম্পাদন করা যায়না।

  3. সূচী-সংগঠিত টেবিল বিভাজন করার অনুমতি নেই।

  4. এসকিউএল সূচীকরণ INSERT, DELETE, এবং UPDATE ক্যোয়ারিতে কর্মক্ষমতা হ্রাস করে।

  5. অধিক মেমরির প্রয়োজন হয়।

  6. ডেটা এন্ট্রিতে বেশি সময় প্রয়োজন হয়।

ইন্ডেক্সিংয়ের সুবিধাসমুহ লিখ।

ইন্ডেক্সিংয়ের সুবিধাসমুহ নিম্নরূপ:-

  1. সহজে ডেটা খোঁজাঃ ইনডেক্স করার ফলে সহজে ডেটা খুঁজে বের করা যায়।

  2. স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হওয়াঃ ইনডেক্স করার পর টেবিলে নতুন রেকর্ড প্রবেশ করালেও ইনডেক্স ফাইলগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়ে যায়।

  3. কর্মক্ষমতা উন্নত করেঃ সকল ফাইল খোঁজার প্রয়োজন হয় না।

  4. দ্রুত অনুসন্ধান করাঃ ব্যবহারকারীদের কাছে ডেটা দ্রুত অনুসন্ধান এবং পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করে ।

  5. মূল ফাইল অপরিবর্তিত রাখাঃ ইনডেক্স ফাইল মূল ডেটাবেজ ফাইলের কোন পরিবর্তন না করে বিভিন্নভাবে সাজাতে পারে।

  6. বিভিন্ন অপারেশনের দক্ষতা বৃদ্ধিঃ ডেটা টেবিলের রেকর্ডসমূহের উপর বিভিন্ন অপারেশন যেমন- searching, sorting এবং queries ইত্যাদি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ইনডেক্স করা হয়।

  7. ইন্ডেক্সিং বা সূচীকরণ টেবিলস্পেস হ্রাস করতে সহায়তা করে।

ডেটাবেজ ইনডেক্সিং বা সাজানো বলতে কি বুঝায়?

ইনডেক্সিং

ইনডেক্সিং হল এমন একটি ডাটা স্ট্রাকচার প্রযুক্তি যা কিছু বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে ডাটাবেস ফাইলগুলি থেকে দক্ষতার সাথে ইনডেক্স সম্পন্ন রেকর্ডগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে । ইনডেক্স হল একটি ছোট টেবিল যা কেবল দুটি কলাম থাকে । ইনডেক্স টেবিলের প্রথম কলাম প্রাইমারি কি অথবা ক্যান্ডিডেট কি দ্বারা গঠিত হয়। আর দ্বিতীয় কলাম হল পয়েন্টার গুলোর একটি সেট যা ডিস্ক ব্লক অ্যাড্রেস ধারণ করে যেখানে নির্দিষ্ট কি মান জমা থাকে।

সহজ ভাবে বলতে গেলে ইন্ডেক্সিং হল ডেটা টেবিলের রেকর্ডগুলোকে কোন নির্ধারিত এক বা একাধিক ফিল্ড অনুসারে সাজানোর উদ্দেশ্যে মূল টেবিল অপরিবর্তিত রেখে রেকর্ডগুলোর অ্যাড্রেসকে সাজানো।

রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা RDBMS এর ব্যবহার বিস্তারিত লিখ। অথবা রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর ব্যবহার বর্ণনা কর।

রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কিছু সুনির্দিষ্ট ব্যবহারের ক্ষেত্র নিম্নে উল্লেখ করা হল:-

  1. সামরিক ক্ষেত্রে তথ্য সংরক্ষণের জন্য।

  2. কৃষি ক্ষেত্রে গবেষণার তথ্য সংরক্ষণের জন্য।

  3. হাসপাতালে রোগীদের রেকর্ড সংরক্ষণের জন্য।

  4. রেলওয়েতে টিকিটিং ও রেলগাড়ির সিডিউলিং এর ক্ষেত্রে।

  5. বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের রেকর্ড সংরক্ষণের জন্যে।

  6. ইলেক্ট্রনিক কমার্স ও ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেমে।

  7. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্টুডেন্টদের ইনফর্মেশন সিস্টেম তৈরিতে।

  8. জনসংখ্যা তথ্য সংরক্ষণ করে।

  9. কোন প্রতিষ্ঠানের ইনভেনটোরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরি।

  10. ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করাসহ অন্যান্য ক্ষেত্র যেখানে অসংখ্য ডেটা নিয়ে কাজ করতে হয়।

  11. ব্যাংক ও বীমায় গ্রাহকদের হিসাব-নিকাশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে।

  12. এয়ার লাইন্সে টিকিটিং ও ফ্লাইটের সিডিউলিং এর ক্ষেত্রে।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা RDBMS-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ণনা কর।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নে বর্ণনা করা হল-

  1. সহজে টেবিল তৈরি করে ডেটা এন্ট্রি করা যায়।

  2. সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডেটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।

  3. অসংখ্য ডেটার মধ্য হতে প্রয়োজনীয় ডেটাকে খুঁজে বের করা যায়।

  4. ডেটা ভ্যালিডেশনের সাহায্যে ডেটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

  5. সহজে নানা ফরম্যাটের রিপোর্ট ও লেবেল তৈরি ও তা মুদ্রণ বা প্রিন্ট করা যায়।

  6. সহজে অন্য প্রোগ্রাম থেকে ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।

  7. সহজে অ্যাপ্লিকেশান সফত্বারে/ প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

রিলেশনাল ডাটাবেসের বৈশিষ্ট্য সমূহ বর্ণনা কর।

রিলেশনাল ডাটাবেসগুলি দক্ষ সিস্টেম, যা তাদের আর্থিক রেকর্ড, লজিস্টিকাল তথ্য, কর্মীদের ডেটা এবং নতুন ডাটাবেসে অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণের জন্য সাধারণ পছন্দ করে তোলে। কারণ এগুলি নোএসকিউএল ডাটাবেসগুলির চেয়ে বোঝা এবং ব্যবহার করা সহজ।

রিলেশনাল ডাটাবেসের নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য আছে:

  1. মানগুলি অতিক্ষুদ্র।

  2. কলামের সমস্ত মানগুলির মধ্যে একই রকমের ডেটা টাইপ থাকে।

  3. প্রতিটি সারিই একক।

  4. কলামগুলির ক্রমটি নগণ্য বা অর্থহীন।

  5. সারিগুলির ক্রমটি নগণ্য বা অর্থহীন।

  6. প্রতিটি কলামের একটি অনন্য নাম রয়েছে।

  7. অখণ্ডতার সীমাবদ্ধতা একাধিক সারণী জুড়ে ডেটার ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রাথমিক কাজ গুলো বর্ণনা কর।

ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রাথমিক কাজ গুলো নিম্নে বর্ণনা করা হল–

  1. প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটাবেজ তৈরি করা।

  2. ডেটাবেজে নতুন ডেটা/ রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা।

  3. প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটার হালনাগাদ করা।

  4. অপ্রয়োজনীয় ডেটা/ রেকর্ড মুছে দেয়া।

  5. প্রয়োজনীয় রেকর্ড অনুসন্ধান করা বা ব্যবহার করা।

  6. ডেটার নিরাপত্তা বিধান করা।

  7. ডেটা সংরক্ষণ করা।

  8. ব্যবহারকারী নিবন্ধকরণ।

  9. ব্যবহারকারী নিয়ন্ত্রণ করা।

ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কি? সংক্ষেপে লিখ।

ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:

ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এমন একটি সফ্টওয়্যার যা ডেটাবেস পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়।

ডিবিএমএস বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের জন্য একটি ইন্টারফেস সরবরাহ করে যেমন ডেটাবেস তৈরি, এটিতে ডেটা সংরক্ষণ, ডেটা আপডেট করা, ডাটাবেসে একটি টেবিল তৈরি করা এবং আরও অনেক কিছু।

এটি ডাটাবেসের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা সরবরাহ করে। একাধিক ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে এটি ডেটা সংগতি বজায় রাখে।

উদাহরণ: মাইএসকিউএল, ওরাকল, মাইক্রোসফ্ট অ্যাক্সেস, মঙ্গডিবি ইত্যাদি।

Featured Post

প্রোগ্রামিং ভাষা

প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ: প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ একটি নির্দেশাবলীর সেট কে সংজ্ঞায়িত করে, যা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে একসাথে সংক...